গোধূলি সন্ধ্যার মুগ্ধ আকাশে,নীড়ে ফেরা পাখিদের আনাগোনা,
সব পাখিরা ঐ সুদূরের আকাশ থেকে রংবেরংঙের আলো,তাদের ঠোটে তুলে নিলো…
তারপর ছড়িয়ে পড়লো,সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের প্রতিটা কোনায় কোনায়,
রংধনু মেঘের পরশ পেয়ে,সব কালিমা,অপসংস্কৃতি,অনৈতিকতা বিলীন হয়ে গেলো…
একটি ফুলের বৃন্তের মতো,সব
ছাত্রীদের একই গাথায় গাথা..
সুরভি নিতে মাতোয়ারা আমি,
তুমি চল্লিশে পা দিয়েছো,
বয়স বাড়লো বুঝি!
কতো প্রাজ্ঞতা,অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হলো,
কতো হাসি-গান,বেদনাহত,আবেগঘন অধ্যায় বেয়ে দীর্ঘ এ পথচলা…
বুনিয়াদের ভীত গড়বার সময়, আমরা হয়ত ছিলাম না,
কিন্তু, আজ বুনিয়াদের মজবুতীতে নতুন ইটগুলো শক্ত করে বসাতে হাতে -হাত,কাধে-কাধ লাগিয়ে চলেছি আমরা..
জান্নাতী প্রাসাদ মোরা গড়বই…
নীরবে, অগোচরে,তুমি হয়ত পথ চলবে,
মিছিলে,ব্যানারে, ফেস্টুনে নগর হয়ত শোভিত হবে না…
সেমিনার,সিম্ফোজিয়াম হয়ত হবে না….
কিন্তু,তুমি যে নীরবে বিল্পব ঘটিয়েছ চলছো প্রতিদিন..
আলোর গতিতে,নদীর ঢেউয়ের মতো বয়ো চলো, কখনো থেমো না,কখনো থেমো না….

খারাপ হতে চাই

​মাঝে মাঝে, প্রচন্ড রকমের খারাপ হতে ইচ্ছে করে…

মনে হয়,খারাপ না হয়ে গত্যন্তর নেই,খারাপ দিয়ে খারাপকে

পরাজিত করতে হবে…

খারাপরাই পারে,খারাপের টুটি

চেপে ধরতে,উপড়ে দিতে…

সিডর হতে ইচ্ছে করে,

লন্ডভন্ড করে দিতে সব গোলকধাধা,

বুকের মানিক,নাড়িছেড়া ধনকে

ওদের কি কোনোদিন খুজে পাবো,না?

ওরা কি,সাত ভাই এক বোন চম্পার মতো রূপকথার ফুল হয়ে ফুটে আছে?

রানীমা ফুল তুলতে গেলেই,

বুঝি,কোলে নেমে আসবে,না?

না,আর না,বড়ো খারাপ হয়ে যাবো আমি,পুরো দেশটাকে আজ ধুমড়েমুচড়ে,খন্ডবিখন্ড করে ফেলব,তন্নতন্ন  করে খুঁজব আনাচে কানাচে,যেমন হীরকখন্ড খুঁজে পেতে,খনি পর খনি গোল্ডরাশের মতো ছুটে বেড়ায়,বঙ্গোপসাগরের পানি আজ  ঘোলাজল,করে ফেলব,

খুঁজে খুঁজে,তোদেরকে আমার পেতেই হবে।আমার নিশ্বাস,আমার অস্তিত্বকে, আমি যে হারিয়ে দিতে পারি না।

সব বনভূমি উজাড় করে,নতুন করে বৃক্ষরোপন করব,সুন্দরবন বানিয়ে ফেলব পৃথিবী,তবুও

কোথায় লুকিয়ে আছিস তোরা?

আজ বড্ড,খারাপ হতে ইচ্ছে করে,মানচিত্রে আঁকা স্বপ্ন আজ

ছিড়ে কুটিকুটি করে ফেলব,যদি নিরাপত্তাই না থাকে আমার অস্তিত্বের,আজ আমি বড্ডো খারাপ হতে চলেছি…..