আহা আজি এ বসন্তে…

Advertisements

পড়া ও ভালবাসা

পড়া
জন্মের দিন থেকে কেন,

পড়তে বসলুম না?

আজ পড়া আর শেষ হয় না!
আম্মা,তোমার মধ্যে যেদিন থেকে আমার বসবাস!

সেদিন থেকে সব বই কেন পড়ে শুনালে না?
আব্বা,আমায় তুমি ভালবাসতে?

স্বপ্ন দেখতে মেয়ের বাবা হওয়ার!

বাসার আলমারী,বাড়ান্দা,উঠোনে,

বই আর বই কেন সাজিয়ে রাখলে না!

আমার জন্য কবিতা লিখতে,বলো?সত্যি করে!
নানু,তুমি কি আমাকে ভালবাসতে?

আমার আসার আগে, গল্প লিখতে!

তোমার পান্ডুলিপি খুলে,উদাস হয়ে কাটাবো বলে।

বলো না,সত্যি করে, আম্মুর  চেয়ে, তুমি আমাকেই ভালোবাসতে!
মুস’য়াবের আব্বু,

আমি জানি, তুমি আমাকে ভালবাসো না,বইকে ভালবাসো।

আর,তোমার প্রিয় বইটা আমি লিখব।
মুস’য়াব,

তুমি কি তোমার আম্মুকে ভালবাসো!

আমি জানি,আব্বু….

বই,কই……………………………

নেওয়ার সামর্থ্য খুবই অল্প,

দেওয়ার ক্ষমতাও তেমনি।

রাশি রাশি পান্ডুলিপির তাক,

ভারী ভারী কিতাব ভরা শাঁখ!

বিস্তর  ফাঁকা আমলের খাতা,

গ্রোগ্রাসে গিলতে চাও যাতা।

কালোর মাঝে আলো খোঁজা,

বিশ্বাস ছাড়া পথ চলা নয়,সোজা

চিন্তাহীন পথচলা বাড়ায় বোঝা।

অকারনে ভেবো না পরাজয়,

সাধ্যের মধ্যে সবটুকু করো জয়।

নিষ্প্রাণ, অকারণ সব 

ঝেড়ে ফেলো ক্ষোভ।

প্রিয় রব্বি দিও হিকমাহ

তোমার প্রিয় জ্ঞান।

#আফসোস

#বই

সাহস

সাহস

———–
আমার কি সাহস আছে?

বারবার প্রশ্নটি আসে ঘুরেফিরে,

সাহস আর ভয় দু’টাই গোলমেলে লাগে আজকাল।

কোন দুঃসংবাদ যখন ছেঁয়ে আসে,

তখন হৃৎপিন্ডের গতি বাড়ে, 

অজানা আশঙ্কায় বুকে ব্যথা জমা হয়।

নিঃশব্দে সব দুঃস্বপ্নেরা সচল হয়,

দীর্ঘশ্বাস পড়ে,বাম হাত একটু নিশ্চল হয়।

মানুষ বলেই হয়ত,ব্যথাদের রোখা যায় না!

তেমনি ভয়ও আসে চুপিচুপি,

তবুও, ভাবি আমি কি ভীরু না বোকা।

পারব কি বুকটান করে দাড়াতে, সকল কুটিলতার সামনে।

নাকি,আমার প্রগলভতা,কাব্যের ঝুমঝুমি।

যা সস্তা কলমে,সস্তা শব্দে লিখে চলেছি,দিনমান!

রক্তাক্ত কঠিন দিনে,আকন্ঠ তৃষ্ণায় কি সাহসের সুর তিয়াস মেটাবে আমার!

কবির কলম কি লোহিত হয়ে উঠবে,তাঁরই বুকের রক্তে!

প্রিয় রব,সইবার শক্তি কি হবে

অস্হির ফুসফুসের।

সব পার্থিব ব্যথা,শোভা বাড়ানো মাইগ্রেন,ছেড়ে যাবে কবিকে।

ক্যাম্পাসের শিউলি, বকুল পদ্যে

পদ্যে, স্মরণ করবে কুয়াশামেখে।

প্রিয়তম তোমাতে ভয় আর ভালোবাসায় বাঁধতে,

পৃথিবীর সব কালো যদি দোলতে পারি,তবে…?

সেদিন কি আমি আমার প্রশ্নের

জবাব মেলাতে পারি!

“সত্যিই কি সাহস আছে আমার?”

প্রিয় তোমায় ছাড়া আর কারো ভয়,যেন না স্পর্শে আমায়।

এইটুকু,দুঃসাহস যেন এ অধমের হয়।

উম্মে সালমা(রা) এর সৌভাগ্য ও একটি সুন্দরতম দোয়া

উম্মে সালমা(রা) এর সৌভাগ্য ও একটি সুন্দরতম দোয়া

একদিন আবূ সালমা (রাঃ) খুব খুশি মনে বাড়িতে আসলেন,বললেন,আজকে রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে একটি হাদীস শুনে আনন্দিত হয়েছি,ঐ হাদীসটি এই যে,যখন কোন মুসলিমের উপর কোন কষ্ট ও বিপদ  পৌঁছে এবং সে নিম্নের দু’আটি পাঠ করে তখন

image

আল্লাহ তা’আলা তাকে অবশ্যই বিনিময় ও প্রতিদান দিয়ে থাকেন।
    ” হে আল্লাহ! আমাকে মুসীবতের সময় ধৈর্য ধরার শক্তি দাও এবং উহার পরিবর্তে উত্তম কিছু দান কর।”
উম্মে সালমা (রা) দু’য়াটি শিখে নিলেন,আবু সালমার(রা) মৃত্যুর পরে তিনি,আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য প্রাথর্না করেন।সেই দু’আটি পাঠ করেন।উম্মে সালমা(রা) একজন লজ্জাশীলা,নরম মনের নারী ছিলেন।তিনি বয়স্কা ও সন্তানের অধিকারী ছিলেন।ইদ্দত শেষে রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে বিয়ে হয়ে যায় তাঁর,আল্লাহ তায়ালা তাঁকে কল্পনার অতীত,উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদা দান করেন,পূর্বের অপেক্ষা উত্তম স্বামী দান করেন।
তথ্যসূত্র:(আহমদ ৪/২৭,মুসলিম ২/৬৩৩)
ইবনে কাসীর #

আরবী সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক, সিরিজ-১

শায়খ আলী বিন মুস্তফা আল-তানতাবির শিকড় মিশর থেকে এসেছে। তিনি ১৯০৯ সালে সিরিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২৬ সালে আইন ডিগ্রির সাথে দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। শায়খ খ্যাতনামা সিরিয়ান ইসলামী ও আরবি ভাষা পন্ডিতদের অধীনে ব্যক্তিগত শিক্ষার সাথে মিলিত প্রথাগত শিক্ষা লাভ করেন।
পারিবারিক জীবনে তিনি তিন কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক।
সিরিয়ায় বিচার বিভাগে  যোগদানের পূর্বে সিরিয়া, ইরাক ও লেবাননের বিভিন্ন অংশে শেখ আল-তানতাবী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মিশর ও সিরিয়ার মধ্যকার ঐক্যের সময় পারিবারিক আইন প্রণয়নে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ১৯২৬ সাল থেকে অন্যতম একজন সাংবাদিক ছিলেন এবং জাভা, বাগদাদ ও দামেস্কের রেডিও স্টেশনগুলিতে প্রথম আরব ব্রডকাস্টারদের মধ্যে একজন ছিলেন। উপরন্তু, তিনি ব্রিটিশ এবং ফরাসি শাসনের অধীনপ থেকে বিভিন্ন আরব দেশগুলির স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে সম্পর্কিত কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং বিশেষত ১৯৪০ ও ১৯৫৯ এর দশকে তিনি ক্রমাগত হয়রানির শিকার হন।

১৯৬৩ সালে তিনি সৌদি আরব চলে যান, সেখানে তিনি কিছু বছর রিয়াদ ও মক্কার শরী’আ ও আরবি ভাষা কলেজগুলিতে কিছু বছর অধ্যাপনা করেন।পরবর্তীতে তিনি লেখালিখি, কাউন্সিলিং ও প্রচারের কাজে পুরোপুরি নিজেকে উৎসর্গ করেন।
ইসলামের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে প্রসারিত করতে  তিনি কয়েক দশক ধরে নিরন্তর প্রচেষ্টারত ছিলেন। তিনি তাঁর সমৃদ্ধ জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা এবং মধ্যমপন্হী অবস্হানের মধ্য দিয়ে একটি বিশাল শ্রোতাগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করেছিলেন।দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে,তার পরিচালিত দৈনিক রেডিও প্রোগাম ও একটি সাপ্তাহিক টিভি অনুষ্ঠান,উভয়ই অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলো।১৯৯০ সালে ইসলামের সেবায় অবদানের জন্য কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৯৯ সালে জেদ্দায় তিনি ৯০ বছর বয়সে মারা যান।

। তিনি বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে অনেক বই ও নিবন্ধ রচনা করেন এবং তার স্মৃতিকথা আটটি ভলিউম প্রকাশ করেন।বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তার বই অনুদিত হয়েছে।বাংলা ভাষায় অনুদিত কিছু বই সাম্প্রতিক কালে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
যেমন-
১.হে আমার মেয়ে;
২.হে আমার ছেলে;
৩.ছাত্রদের বলছি;
৪.গল্পে আঁকা ইতিহাস(১-৭);
৫.জনতার মাঝে:মা’আন্নাস
৬.বিয়ে নিয়ে কিছুকথা;
৭.আদর্শ সন্তান পালনে নানাজী;
৮.যুবকদের বাচাঁ;
৯.যুবকদের উপর রহম করুন;
ইংরেজী ভাষায় অনুদিত কিছু বই-
1.General Introduction To Iskam.
2.The FAith
3.Connaitre I’Islam
4.Brif Introduction to Islam

আরবী ভাষায় রচিত বইসমূহ
১.ذكريات علي الطنطاوي – الجزء الأول(Memories of Ali Tantawi – Part)
২.من حديث النفس
৩.قصص من الحياة
৪.ذكريات علي الطنطاوي – الجزء الثامن
৫.قصص من التاريخ(ইতিহাস থেকে গল্প)
৬.من غزل الفقهاء
৭.قصة كاملة لم يؤلفها بشر
তথ্যসূত্র:ইন্টারনেট
সংকলন: ফারহানা

image

একটি সুখদায়ক জার্নির জন্য:১৫টি তথ্য অবশ্যই জানা উচিত।

একটি সুখদায়ক জার্নির জন্য:১৫টি তথ্য অবশ্যই জানা উচিত।

গণতান্ত্রিক দেশে আর যাই করেন,সড়ক নিয়ে কথা বলতে যাবেন না।ওটাতে আমার-আপনার অধিকার নাই।ফুটপাত,গলিপথ,ড্রেন,ম্যানহোলের ডাকনা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন,নয়ত বুড়িগঙ্গায় ঝাপ দিন।থাক,আসেন তার চেয়ে বড়ো যাত্রাটাকে উপভোগ্য করি,পরামর্শগুলো কিন্তু হেলায় ফেলায়, নিবেন না।বিনা পয়সায় দিচ্ছি না!

১.পূর্বপ্রস্তুতি :

আপনার আগামীকাল কোনো ক্লাস,প্রোগ্রাম, বিয়ের দাওয়াত,চাকুরীর ইন্টারভিউ,মিটিং,যাই থাকুক না কেন,একবার হলেও দৈনিকগুলো অথবা নিউজ এ চোখ বুলিয়ে নিন, সিওর হন, সম্মানিত পিএম এর কোনো অনুষ্ঠান আছে কি না?

২.মাদার অব হিউম্যানিটি’র যদি অনুষ্ঠানটি যদি সকালে থাকে,আর আপনারটাও দূর্ভাগ্যক্রমে একত্রে পড়ে যায়,তাহলে ফজরের সালাত পড়েই গন্তব্য রওনা হন।নচেৎ মিস করবেন।

৩.এতো সতর্কতা অবলম্বন করেও যদি,চিপায় পড়ে যান,তবে ভেঙ্গে পড়বেন না,পরবর্তী প্রস্তুতি:

৪.জ্যাম সত্ত্বেও যদি বের হতে বাধ্য হন,তবে -ফোনে পূর্ণ চার্জ দিয়ে বের হন,পানিপট সাথে রাখতে পারেন,পোর্টেবল ফ্যান ও।

৫.খালি পেটে কিন্তু মাথা গরম হয়ে যায়,এক প্যাকেট চিকেন ফ্রাই সাথে নিতে পারেন,মনের সব রাগ-ঝাল-অভিশাপ ওর উপর মিটিয়ে নিতে পারবেন।

৬.গাড়ি ওঠার আগে কয়টা বইও সাথে নিতে পারেন,পড়তে পড়তে পৌছে গেলেন,তবে স্টশন মিস করবেন না,সাবধান।

৭.হেটফোনেরও সঠিক ব্যবহার করতে পারেন,তবে খেয়াল ধরে রেখে।

১৫.আরে,দূর মিয়া!

বাকী ৮-১৪ নাম্বার লিখিনি, জ্যামের ক্লান্তিতে গায়েব হয়ে গেছে।

গোধূলি সন্ধ্যার মুগ্ধ আকাশে,নীড়ে ফেরা পাখিদের আনাগোনা,
সব পাখিরা ঐ সুদূরের আকাশ থেকে রংবেরংঙের আলো,তাদের ঠোটে তুলে নিলো…
তারপর ছড়িয়ে পড়লো,সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের প্রতিটা কোনায় কোনায়,
রংধনু মেঘের পরশ পেয়ে,সব কালিমা,অপসংস্কৃতি,অনৈতিকতা বিলীন হয়ে গেলো…
একটি ফুলের বৃন্তের মতো,সব
ছাত্রীদের একই গাথায় গাথা..
সুরভি নিতে মাতোয়ারা আমি,
তুমি চল্লিশে পা দিয়েছো,
বয়স বাড়লো বুঝি!
কতো প্রাজ্ঞতা,অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হলো,
কতো হাসি-গান,বেদনাহত,আবেগঘন অধ্যায় বেয়ে দীর্ঘ এ পথচলা…
বুনিয়াদের ভীত গড়বার সময়, আমরা হয়ত ছিলাম না,
কিন্তু, আজ বুনিয়াদের মজবুতীতে নতুন ইটগুলো শক্ত করে বসাতে হাতে -হাত,কাধে-কাধ লাগিয়ে চলেছি আমরা..
জান্নাতী প্রাসাদ মোরা গড়বই…
নীরবে, অগোচরে,তুমি হয়ত পথ চলবে,
মিছিলে,ব্যানারে, ফেস্টুনে নগর হয়ত শোভিত হবে না…
সেমিনার,সিম্ফোজিয়াম হয়ত হবে না….
কিন্তু,তুমি যে নীরবে বিল্পব ঘটিয়েছ চলছো প্রতিদিন..
আলোর গতিতে,নদীর ঢেউয়ের মতো বয়ো চলো, কখনো থেমো না,কখনো থেমো না….

খারাপ হতে চাই

​মাঝে মাঝে, প্রচন্ড রকমের খারাপ হতে ইচ্ছে করে…

মনে হয়,খারাপ না হয়ে গত্যন্তর নেই,খারাপ দিয়ে খারাপকে

পরাজিত করতে হবে…

খারাপরাই পারে,খারাপের টুটি

চেপে ধরতে,উপড়ে দিতে…

সিডর হতে ইচ্ছে করে,

লন্ডভন্ড করে দিতে সব গোলকধাধা,

বুকের মানিক,নাড়িছেড়া ধনকে

ওদের কি কোনোদিন খুজে পাবো,না?

ওরা কি,সাত ভাই এক বোন চম্পার মতো রূপকথার ফুল হয়ে ফুটে আছে?

রানীমা ফুল তুলতে গেলেই,

বুঝি,কোলে নেমে আসবে,না?

না,আর না,বড়ো খারাপ হয়ে যাবো আমি,পুরো দেশটাকে আজ ধুমড়েমুচড়ে,খন্ডবিখন্ড করে ফেলব,তন্নতন্ন  করে খুঁজব আনাচে কানাচে,যেমন হীরকখন্ড খুঁজে পেতে,খনি পর খনি গোল্ডরাশের মতো ছুটে বেড়ায়,বঙ্গোপসাগরের পানি আজ  ঘোলাজল,করে ফেলব,

খুঁজে খুঁজে,তোদেরকে আমার পেতেই হবে।আমার নিশ্বাস,আমার অস্তিত্বকে, আমি যে হারিয়ে দিতে পারি না।

সব বনভূমি উজাড় করে,নতুন করে বৃক্ষরোপন করব,সুন্দরবন বানিয়ে ফেলব পৃথিবী,তবুও

কোথায় লুকিয়ে আছিস তোরা?

আজ বড্ড,খারাপ হতে ইচ্ছে করে,মানচিত্রে আঁকা স্বপ্ন আজ

ছিড়ে কুটিকুটি করে ফেলব,যদি নিরাপত্তাই না থাকে আমার অস্তিত্বের,আজ আমি বড্ডো খারাপ হতে চলেছি…..